যে কারণে রাতের অন্ধকারে জিয়ার এতিমখানায় নতুন সাইনবোর্ড

বৃহস্পতিবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা কিছুটা বিলম্বিত হতে পারে। খালেদা জিয়া এখনো আদালতে পৌঁছাতে পারেননি এবং নামাজের বিরতির পর দুপুরের খাবারের বিরতি নিয়েই আদালত এ রায় ঘোষণা করবেন বলে জানা গেছে।

এদিকে, বিস্তীর্ণ ফসলি জমির বুকে বহুল আলোচিত জিয়াউর রহমানের নামে প্রতিষ্ঠিত এতিমখানাতে রাতের আধারেই লাগানো হয়েছে নতুন সাইনবোর্ড। বগুড়ার গাবতলী-গোলাবাড়ী আঞ্চলিক সড়ক অতিক্রম করার পরই চোখে পড়বে তরফ সরতাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেই বিদ্যালয়ের পেছন ঘেঁষে সদ্য লাগানো একটি সাইনবোর্ড দেখা গেলো। তাতে লেখা ‘জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট’।

১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে এই প্রতিষ্ঠানের নামে বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় দাঁড়াইল মৌজায় স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রায় ৯ বিঘা জমি কেনা হয়। তৎকালীন বিএনপির সংসদ সদস্য, বর্তমানে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু এই জমি কেনেন।

কিন্তু এরই মধ্যে প্রায় ২৫ বছর পার হতে চললেও সেখানে একটি সাইনবোর্ড সাঁটানো ছাড়া আর কোনো স্থাপনা করা হয়নি। সময়ের ব্যবধানে সাইনবোর্ড মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে যায়। পরে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ‍মামলার রায় ঘনিয়ে আসায় মাসখানেক আগে সেখানে আরেকটি নতুন সাইনবোর্ড সাঁটানো হয়। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।

ট্রাস্টের নামে ওই সময় চার লাখ টাকা তুলে এই ৯ বিঘা জমি ১২-১৩ জন মালিকের কাছ থেকে কেনা হয়। তবে জমিতে অবকাঠামো নির্মাণ ও কার্যক্রম চালু না হওয়া পর্যন্ত জমির মালিকরা তা ভোগ করতে পারবেন- এমন চুক্তি ছিল।

পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম চালু হলে জমির মালিকদের যোগ্য সন্তানরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরি পাবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু দিন গড়িয়ে গেলেও এসবের কিছুই পাননি জমির মালিকরা। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল গফুর নামে জমির একজন বিক্রেতা ওই জমি বছরে এক লাখ টাকায় পত্তন নিয়ে চাষাবাদ করছেন।

আব্দুর রহমান বলেন, তার মামা আব্দুল গফুর, বেল্লাল হোসেন, মোফা, আয়েজ উদ্দিন, রকিবুল্লাহর কাছে থেকে সাবেক এমপি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু প্রায় ৮৭ শতাংশ জমি প্রতি শতক ১ হাজার ২শ হিসেবে কেনেন।

তরফ সরতজা গ্রামের আব্দুল মালেক, আব্দুস সালেক, ধামাচাপা গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি আব্দুল আজিজসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, বাকি জমি হিরণ, লক্ষ্মী সরকার, রবি, করিম মণ্ডল, মজিবরসহ অন্যদের কাছ থেকে একই দামে কেনা হয়।

ব্যবসায়ী আব্দুল মালেক বলেন, ‘কেস ফেসের কারণে সাইনবোর্ড নতুন করা হয়েছে। এর আগের সাইনবোর্ড মরিচা পড়ে জীর্ণ-শীর্ণ হয়ে পড়েছিলো।

সাজা হলে ফাতেমাকেও প্রস্তুত থাকতে বললেন খালেদা! কিন্তু কে এই ফাতেমা?

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়কে কেন্দ্র করে জেলযাত্রাসহ সবধরনের পরিস্থিতির জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত খালেদা জিয়া। দলের নির্বাহী কমিটির সভায় তৃণমূল নেতাদের প্রতি সে ইঙ্গিত আগেই দিয়েছেন তিনি।

সেদিন বলেছেন, ‘আমার বেশি হলে জেল হবে। এই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী-ভক্তকেও জেলে যেতে হয়েছে। যেখানে থাকি না কেন আমি আপনাদের সঙ্গে আছি, আপনাদের সঙ্গে থাকব। বহু সন্ত্রাস হবে, ষড়যন্ত্র হবে, নানাভাবে হয়রানি করার চেষ্টা করা হবে; কিন্তু আমরা ভয়ে ভীত নই।

এদিকে মামলার রায়কে কেন্দ্র করে গৃহকর্মী ফাতেমা বেগমকেও কিছুদিনের জন্য পারিবারিক জীবন থেকে দূরে থাকার মানসিক প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। রায়ের পর কারাগারে যেতে হলে গৃহকর্মী ফাতেমাকে সঙ্গে নেয়ার আবেদন জানাবেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

সূত্র জানায়, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব। নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে সরকারের কোনো ফাঁদে পা দিতে চায় না বিএনপি। নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে দশম জাতীয় নির্বাচন বর্জন ও টানা নয় বছর ধরে আন্দোলন করে আসা বিএনপি যে কোনো পরিস্থিতিতে আগামী নির্বাচনে মাঠে থাকতে চায়।

ফলে রাজপথের নৈরাজ্যময় আন্দোলনের পথে হেঁটে দেশের মানুষ ও আন্তর্জাতিক মহলের সমালোচনার মুখে পড়তে চায় না তারা। সে লক্ষ্যেই সম্প্রতি প্রতিটি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনার মাধ্যমে। ফলে মামলার রায় মোকাবিলায় দলটি আইনি প্রক্রিয়াকেই প্রাধান্য দিচ্ছে।

পাশাপাশি সরকারের ওপর জনমতের চাপ সৃষ্টি, সরকারের বাইরে থাকা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বৃহত্তর ঐক্য সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক মহলের সমর্থন আদায়েও চলছে নানা তৎপরতা। তারই অংশ হিসেবে হযরত শাহজালাল ও শাহপরানের মাজার জিয়ারতের উদ্দেশে সিলেট সফর করেছেন খালেদা জিয়া। সুযোগ থাকা সত্ত্বেও যাত্রাপথে কোনো পথসভায় বক্তব্য বা মতবিনিময়ে অংশ নেননি তিনি। তবে তার এ সফরের মধ্যেও সরকারের ওপর জনমতের চাপ সৃষ্টি এবং নির্বাচনমুখী বার্তা দেখতে পাচ্ছে রাজনৈতিক মহল।

তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের নির্বাচনী প্রচারণায় সিলেট সফরের এক সপ্তাহের মধ্যেই ৩৬০ আউলিয়ার পূণ্যভূমি ঘুরে এসেছেন খালেদা জিয়া। সবসময় প্রকাশ্য ভোট চাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। তার এ সফরের বার্তা পৌঁছে গেছে সিলেট বিভাগের চার জেলার ঘরে ঘরে।

তার সিলেট সফরকে কেন্দ্র করে পুরো পথে কঠোর নিরাপত্তা নিয়েছে পুলিশ। বিএনপি নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষকে দাঁড়াতে দেয়া হয়নি রাস্তায়। পুরো পথের দুইপাশের সমস্ত দোকানপাট ও যানবাহন বন্ধ রাখা, ব্যাপক ধরপাকড়ের কারণে ঢাকা থেকে সিলেট মহাসড়ক সংলগ্ন প্রতিটি জেলায় প্রচলিত প্রচারণার চেয়ে বেশি প্রচারণা পেয়েছে বিএনপি।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, হযরত শাহজালাল ও শাহপরানের মাজার জিয়ারতে সিলেট সফরে গিয়ে নীরবতার ভাষায় নিজের মনের কথা জানিয়ে দিয়েছেন চেয়ারপারসন। সিলেটের জনগণ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। মূল কথা হচ্ছে- বিএনপি চেয়ারপারসন যেখানে যান লাখো জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাস্তায় নেমে আসেন, যা দেশের অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নেত্রীর ক্ষেত্রে হয় না।

এদিকে খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে আইনি উদ্যোগ, রাজপথে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদসহ নানামুখী প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। শনিবার অনুষ্ঠিত দলের নির্বাহী কমিটির সভায় তৃণমূল নেতাদের বক্তব্যের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার সম্ভাব্য রায়।

নেতারা পরিষ্কার বলেছেন, সরকারের প্রভাবে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অন্যায় কোনো রায় দেয়া হলে রাজপথে প্রতিবাদের কোনো বিকল্প নেই। কেন্দ্রের কাছে আন্দোলনের নির্দেশনা চাওয়ার পাশাপাশি তারা এ ঘোষণাও দিয়ে রেখেছেন, নেতিবাচক রায় হলে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য তারা কেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না।

এক্ষেত্রে সারা দেশে দলের সাংগঠনিক ইউনিটগুলোর প্রতি পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সবুজ সংকেত রয়েছে কেন্দ্রের। দলটির দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাজধানীর রাজপথে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থানের সর্বাত্মক চেষ্টা করবে মহানগর বিএনপি। রায় ঘোষণার আগ পর্যন্ত তারা কৌশলী অবস্থান নেবেন।

তবে তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিবাদের মাত্রা থাকবে কিছুটা তীব্র। রায় প্রতিকূলে গেলে উচ্চ আদালতের ধাপগুলো সম্পন্ন হওয়ার আগে রাজধানীতে প্রতিবাদের তীব্রতা বাড়াতে চায় না বিএনপি। সেজন্য নেতাদের প্রতি রয়েছে আপাতত গ্রেপ্তার এড়িয়ে কৌশলে পরিস্থিতি মোকাবিলার নির্দেশনা। সে অনুযায়ীই প্রতিবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছেন মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা।

খালেদা জিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

৮ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার রাজধানীর বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা প্যা‌রেড মা‌ঠে অবস্থিত বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান এ রায় দেন।

১৯৯৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর এতিমদের সহায়তার উদ্দেশ্যে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট গঠন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। একই বছরের ১৩ নভেম্বর তার ত্রাণ তহবিল থেকে দুই কোটি ৩৩ লাখ ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা দেওয়া হয় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে।

২০০৮ সালের ৩ জুলাই জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অন্য চার আসামি হলেন- মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

২০১০ সালের ৫ আগস্ট খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর-রশীদ।

২০১৪ সালের ১৯ মার্চ ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায় ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।

গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর খালেদা জিয়াসহ সব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে দুদক। এর পর ২৫ জানুয়ারি বিচারক ড. আখতারুজ্জামান ৮ ফেব্রুয়ারি রায়ের দিন নির্ধারণ করেন।

দাম্পত্য জীবনে দৈহিক শক্তি বাড়ায় যেসব প্রাকৃতিক খাবার!

মানব দেহের দৈহিক শক্তি বাড়াতে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পন্ন ঔষধি কৌশল এবং মনোবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা এখন প্রায় সেকেলে হয়ে পড়েছে। তাইতো আজকাল এই শক্তি বাড়াতে প্রাকৃতিকভাবেই দৈহিক শক্তি বর্ধক খাদ্যই অনেক বেশি কার্যকারী হিসেবে বিবেচিত হয়।

তাই দাম্পত্য জীবনে মিলনে ফিট থাকতে হলে আপনাকে দৈনন্দিন খাবারের প্রতি পূর্ণ মনোযোগী হতে হবে। কারণ সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকার পাশাপাশি দরকার স্বাস্থ্যকর দৈহিক সম্পর্ক।

অথচ প্রায়ই দেখা যায়, দৈহিক দুর্বলতার কারণে সংসারে অশান্তি হয়, এমনকি বিচ্ছেদ পর্যন্ত হয়। তাই আগে থেকে সতর্ক থাকলেও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি নাও হতে পারেন আপনি।

আপনার দৈহিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য কোনো প্রকার ওষুধের প্রয়োজন নেই, তার জন্য দৈনন্দিন পুষ্টিকর খাবার দাবারই যথেষ্ট। আপনার খাবার মেনুতে নিয়মিত দুধ, ডিম এবং মধু রাখুন আর নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন করুন, তাহলে দৈহিক (যৌন) দুর্বলতায় ভুগবেন না।

১. ডিম:
দৈহিক দুর্বলতা দূর করতে ও উত্তেজনা বাড়াতে এক অসাধারণ খাবার ডিম। প্রতিদিন সকালে, না পারেন সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ১টি করে ডিম সিদ্ধ করে খান। এতে আপনার যৌন দুর্বলতার সমাধান হবে।

২. দুধ:
যেসব খাবারে বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এমন প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার দৈহিক জীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সবগুলোকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।

৩. মধু:

দৈহিক দুর্বলতার সমাধানের মধুর গুণের কথা সবারই কম-বেশি জানা। তাই দৈহিক শক্তি বাড়াতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন ১ গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করুন।

৪. রসুন:
দৈহিক সমস্যা থাকলে এখনই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। স্মরণাতীতকাল থেকেই নারী পুরুষ উভয়েরই দৈহিক উদ্দীপনা বাড়াতে এবং জননাঙ্গকে পূর্ণ সক্রিয় রাখতে রসুনের পুষ্টিগুণের কার্যকারিতা সর্বজনস্বীকৃত। রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান যা দৈহিক ইন্দ্রিয়গুলোতে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়।

৫. কফি:
কফি আপনার মিলনের ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার মিলনের মুড কার্যকর রাখে।

৬. জয়ফল:
গবেষণায় দেখা গেছে, জয়ফল থেকে এক ধরনের কামোদ্দীপক যৌগ নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি স্নায়ুর কোষ উদ্দীপিত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে আপনার যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়। আপনি কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারেন, তাহলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।

৭. চকলেট:
ভালোবাসা ও মিলনের সঙ্গে সবসময়ই চকলেটের একটা সম্পর্ক রয়েছে। এতে রয়েছে ফেনিলেথিলামিন (পিইএ) ও সেরোটোনিন। এ দুটি পদার্থ আমাদের মস্তিষ্কেও রয়েছে। এগুলো মিলনের উত্তেজনা ও দেহে শক্তির মাত্রা বাড়াতে সহায়ক। পিইএ’র সঙ্গে অ্যানান্ডামাইড মিলে অরগাজমে পৌঁছাতে সহায়তা করে।

৮. কলা:
কলার রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম মানবদেহের যৌনরস উৎপাদন বাড়ায়। আর কলায় রয়েছে ব্রোমেলিয়ানও। যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতেও সহায়ক। আর সর্বোপরি কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ শর্করা যা আপনার দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। ফলে দীর্ঘসময় ধরে দৈহিক মিলনে লিপ্ত হলেও আপনার ক্লান্তি আসবে না।

৯. ভিটামিন সি জাতীয় ফল:
দৈহিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল দৈহিক ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। গবেষণায় দেখা গেছে, একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। এসব ফলে মধ্যে তরমুজের প্রভাব বেশি। অনেকে মিলনের উদ্দীপক ওষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।

১০. গরুর মাংস:
গরুর মাংসে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই আপনি মিলনকে আরও আনন্দময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।

সন্তান জন্ম দেওয়ার পর সেক্স লাইফ আরও রোমাঞ্চকর হয়!

সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর দম্পতির সেক্স লাইফ আগের থেকেও বেশি রোমাঞ্চকর হয়, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। সন্তান জন্ম দেওয়ার পর সেক্স লাইফ আরও রোমাঞ্চকর হয় সমীক্ষা এবং গবেষণার পর তাঁরা এমনই তথ্য পেয়েছেন।

কবিরাজ: তপন দেব ।

নারী-পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষধ পাঠানো হয়।

আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

একটি সমীক্ষা করা হয়েছিল ১১১৮ দম্পতিকে নিয়ে। সমীক্ষা এবং পরীক্ষার পর ৯৪ শতাংশ পুরুষ এবং তাঁদের স্ত্রীরা বলেছেন, মাস কয়েকের দূরত্ব পরবর্তীকালে তাঁদের যৌন সম্পর্ক ভালো রেখেছে। তাঁরা তাঁদের যৌনজীবন নিয়ে সন্তুষ্ট। এদের মধ্যে আবার ৬০ শতাংশ স্বামী-স্ত্রী বলেছেন, যে তাঁরা এখন সেক্স লাইফে আগের থেকেও বেশি উত্তেজনা এবং প্যানশন অনুভব করছেন।

সেক্সের পূর্বে যৌন শক্তি বাড়াবার ঔষধ সেবন কি আদেও উচিত ? জেনে নিন
বেশিরভাগ মহিলাই মনে করেন, বাচ্চার জন্ম দেওয়ার পর, তাঁদের স্বামীরা বোধহয় আর আগের মতো তাঁদের স্ত্রীদের প্রতি আকর্ষণ বোধ করবেন না। কিন্তু এমনটা মোটেই বাস্তব নয়। চ্যানেল মামের প্রতিষ্ঠাতা সিওভান ফ্রেগার্ড বলেছেন, ‘মহিলাদের সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর চিন্তার কোনও কারণ নেই যে, তাঁদের প্রতি তাঁদের স্বামীরা আর আগের মতো আকৃষ্ট হবেন না। বরং, এক্ষেত্রে বেশ কিছুদিন স্ত্রীর সঙ্গে যেহেতু সেক্স লাইফ উপভোগ করা যায় না, তাই স্বামীরা বা সঙ্গীরা আগের থেকেও বেশি প্যাশন নিয়ে দুজনের যৌনজীবন উপভোগ করেন।’

বিয়ের আগে যেসব পরীক্ষা করা জরুরি, জনস্বার্থে শেয়ার করুন।

বিয়ে করার আগে গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার সবাই ভুলেই যান। আর বাংলাদেশে তো এই চলটি একদমই নেই।
বিয়ের আগে কেনাকাটা থেকে শুরু করে অন্যান্য দিকে মনোযোগী হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অনেকেই এড়িয়ে চলেন। তা হলো পাত্রপাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা।

বিয়ে পরবর্তী বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা এড়াতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার কোনো বিকল্প নেই। গোপনে হলেও অন্তত পাত্রপাত্রীর নিজ উদ্যোগে এ পরীক্ষাগুলো করে নেওয়া উচিত।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কী সেগুলো-

(১) বয়স পরীক্ষা
বয়সের আগে কিংবা দেরি করে বিয়ে উভয়েই শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কম বয়সী মেয়েরা মা হলে ডিম্বাশয় ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন। দেরি করে বিয়ে করলে অর্থাৎ ৩৫ বছরের পরে মা হলে সন্তান প্রসবে নানা জটিলতা হতে পারে। তাই পাত্রপাত্রীর বয়সের ব্যবধান যেন পাঁচ বছরের বেশি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

(২) বন্ধ্যত্ব পরীক্ষা
বিয়ের আগে গাইনোকোলজিস্টের কাছে গিয়ে পাত্রীর পরীক্ষা করে দেখে নেওয়া উচিত ইউটেরাস ও ওভারিতে কোনো সমস্যা আছে কিনা। সেইসঙ্গে পাত্রের পুরুষত্ব ও বীর্যপাতজনিত কোনো সমস্যা আছে কিনা তা আগেই টেস্ট করে জেনে নেওয়া উচিত।

(৩) যৌনরোগ পরীক্ষা
বিয়ের আগে একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক থাকলে এইচআইভি, গনোরিয়া, সিফিলিসের মতো যৌনরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই বিয়ের আগে এই পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত। এই পরীক্ষাকে সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ (এসটিডি) বলা হয়।

(৪) রক্ত পরীক্ষা
রক্তের বিভিন্ন সংক্রমণের কারণে জন্মের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই সন্তান মারা যেতে পারে। রক্তের নানা সংক্রমণে হিমোফিলিয়া এবং থ্যালাসেমিয়ার মতো রোগ হতে পারে। তাই রক্ত পরীক্ষা করে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের।

(৫) জ্বীন পরীক্ষা
একজনের স্তন ক্যান্সার, ফুসফুসের ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সারসহ কোনো রোগ থাকলে অপর সঙ্গীরও সেই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই বিয়ের আগে প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করে চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিত।

তার মতো চুমু কেউ খেতেই পারে না: দীপিকা

যতই ছবি নিয়ে বিতর্ক হোক, যতই লোকে যা খুশি বলুক, তাদের সম্পর্কে কোনো আঁচ লাগেনি। তা ফের বুঝিয়ে দিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। প্রকাশ্যেই জানালেন, তার ‘বয়ফ্রেন্ড’ই বিনোদন জগতের সেরা কিসার। তার মতো চুমু নাকি কেউ খেতেই পারে না!

বলিউডে প্রচুর প্রেম কাহিনি রয়েছে। কারিনা-সাইফ, বিরাট-আনুশকা, শহিদ-মীরা থেকে সালমান-ক্যাটরিনা। কিন্তু তাদের সবার মধ্যে যেন একটু ‘হটকে’ রণবীর সিংহ ও দীপিকা পাড়ুকোন। কারণ তারা একে অপরকে নিয়ে খুব একটা রাখ-ঢাক পছন্দ করেন না।

বিরুষ্কার বিয়ের পর থেকে, বি-টাউনে কান পাতলেই শোনা যায় রণবীর-দীপিকার বিয়ের গুঞ্জন। কয়েকদিন আগে দীপিকার জন্মদিনে মলদ্বীপে একসঙ্গে থাকা নিয়েও বেশ সাড়া পড়েছিল ইন্ডাস্ট্রিতে। অনেকে তো বলেছিলেন, সেখান থেকে নাকি বিয়ে করেই ফিরছেন ‘দীপ-ভীর’।

আসলে নানা মানুষের নানা মত। কিন্তু একটা কথা বলাই যায় যে, দুজনের অন-স্ক্রিন কেমিস্ট্রির পাশাপাশি অফ-স্ক্রিনেও বেশ জমে উঠেছে তাদের প্রেম।

এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়েছেন দীপিকা। কালার্স ইনফিনিটিকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে রণবীরকে নিয়ে খুল্লমখুল্লা আলোচনা করেছেন নায়িকা। শেয়ার করেছেন রণবীরের কি ভালো লাগে, আর কি ভালো লাগেনা। এমনকী রণবীরের নানা কুসংস্কারের কথাও বলেছেন দীপিকা।

ইন্ডিয়া টাইমসের খবর অনুযায়ী অভিনেত্রী বলেছেন, কোনো শট দেওয়ার আগে ওর কিছু সংস্কার থাকে। চোখের পাতা নামিয়ে ও পারফিউম স্প্রে করে। এর পর মাউথওয়াশ ব্যবহার করে বা অন্য কিছু মজার কাণ্ড ঘটায়। তার পর শট দেয়। যদিও এমন পাগলামি নিয়ে কোনো আপত্তি নেই দীপিকার।

কেন পাঙ্গাস বিপজ্জনক? বিস্তারিত…

অনেকেরই পছন্দের একটি মাছ হচ্ছে পাঙ্গাস, শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিডের চাহিদা মেটাতে ছোট মাছের বিকল্প নেই। পাঙ্গাস রান্না করা সহজ, কাঁটা বেশি থাকে না, খেতে সুস্বাদু। আপাত সস্তাও। সবই ঠিক আছে।

কিন্তু পাঙ্গাস মাছ থেকে সাবধান। পারলে এখনই খাওয়া বন্ধ করুন। তা না হলে অ্যাস্থমা, করোনারি ডিজিজ, হাড় ক্ষয়ের মতো নানা রোগ এমনকি ক্যান্সারের মতো মরণ রোগও অচিরেই বাসা বাঁধতে পারে শরীরে।

কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি গবেষণায় পাঙ্গাস সম্পর্কে মারাত্মক তথ্য উদ্ঘাটন করেছেন। দেখা গিয়েছে, পাঙ্গাস মাছের থাকা উপাদান শরীরকে ধীরে ধীরে শেষ করে। এক কথায়, স্লো পয়জন।

কেন পাঙ্গাস বিপজ্জনক? পাঙ্গাস মাছ বড় হয় সাধারণ অবস্থাতেই। কিন্তু চাষ করা হয় ফার্মে। আমরা বাজার থেকে যে পাঙ্গাস কিনি, সেগুলি সবই নির্দিষ্ট কারখানায় চাষ করা হয়। আর এখানেই বিষ হয়ে যায় পাঙ্গাস । ফার্মে পাঙ্গাস স্বাদ বাড়ানোর ও সংখ্যায় বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয় নানা রকম রাসায়নিক সার। সঙ্গে বিষাক্ত কীটনাশক। দেখা গিয়েছে, ফার্মে পাঙ্গাস চাষে ব্যবহার করা হয় এমন কিছু রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, যা থেকে ক্যান্সার হয়। তাই চিকিৎ‌সকদের পরামর্শ, সুস্থ ভাবে বাঁচতে অবশ্যই মাছ খান তবে পাঙ্গাস নয়।

মানুষরূপী এক নরপিশাচের গল্প

দুপুরের পর খুব একটা ঝামেলা থাকে না। চেয়ারে বসেই চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নিচ্ছেন পুলিশের এক কর্মকর্তা। একসময় ঘুমিয়েই পড়লেন। বার বার তার মাথাটি পেছন দিকে হেলে যাচ্ছে। তখনই ঘুম ভেঙে যাচ্ছে তার। আবার ঘুমুচ্ছেন, আবার ভাঙছে। ঘুমিয়ে যাওয়া আর ঘুম ভাঙার মধ্যেই চলছে তার বিশ্রাম। পুরোপুরি ঘুম ভেঙে যায় ল্যান্ড-ফোনের কর্কশ রিং-টোনে। সোজা হয়ে বসে রিসিভার তুললেন।

‘হ্যালো! হ্যাঁ এটা ফরিদগঞ্জ থানা, ডিউটি অফিসার বলছি। কে বলছেন প্লিজ। ’ ওপাশ থেকে কিছু একটা শুনেই পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘শুনতে পাচ্ছি না। কোন খাল? বালিথুবায় বিআর খাল? আচ্ছা।

আপনি কে বলছেন? হ্যালো, হ্যালো!’ ওপাশে আর কোনো কথা নেই। ফোন রেখে দিলেন কর্মকর্তাটি। ওয়্যারলেস করলেন। টহল পুলিশকে খালপাড়ে লাশ পড়ে থাকার খবর জানিয়ে দিলেন। টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে খালপাড়ের কাছে প্রচুর মানুষ। তারা নাক চেপে আছে। কচুরিপানার আড়ালে ২০ থেকে ২২ বছরের এক নারীর লাশ পড়ে আছে। মুখে কাপড় গোঁজা। শরীরে সিগারেটের ছেঁকা। লাশ দেখে পুলিশ বুঝতে পারে, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। লাশের পরিচয় মেলেনি। কিছু দিন পর আবারও একই ধরনের ফোন-কল। এবার বিলের পাশে! পুলিশ লাশটি উদ্ধার করতে গিয়ে থমকে যায়। কদিন আগে বিলের পাশ থেকে উদ্ধার করা নারীর লাশের দেহে যে ধরনের নির্যাতনের চিহ্ন ছিল, এই মহিলার শরীরেও একই চিহ্ন!

এর কিছু দিন পর আবারও নারীর লাশের খবর! পুলিশকে এবার ভাবিয়ে তোলে। তদন্ত করতে পুলিশ মাঠে নামলেও কোনো কূলকিনারাই করতে পারছে না। এই তদন্তের মধ্যেই পরপর আরও তিন লাশ পড়ে থাকার খবর পেয়ে পুলিশ নিজেই আতঙ্কিত। কারণ ছয়জনকেই ধর্ষণের পর একই কায়দায় হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ নিশ্চিত এটি কোনো সিরিয়াল কিলারের কাজ।

২০০৭ সালে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এমন ছয় নারীর লাশ উদ্ধারের পর অজ্ঞাতনামা থেকে যাচ্ছিল। শ্রেণি-পেশায় মিল ছিল না কোনো লাশের। তবে একটি জায়গায় মিল ছিল, সব লাশই নারীর। ধর্ষণের পর কে বা কারা তাদের খুন করে ফেলে রাখছে। খালে, বিলে, নদীতে মিলছে লাশ। কিন্তু ঘটনার কূলকিনারা করতে না পারায় পুলিশ দিশাহারা।

একে একে নারীর লাশ পড়ছে। না পারছে পুলিশ খুনিকে আটকাতে, না পারছে হতভাগী এসব নারীর পরিচয় বের করতে। এতে ফরিদগঞ্জের ঘরে ঘরে আতঙ্ক। বিশেষ করে নারীরা ঘর থেকে বের হওয়ার সাহস পাচ্ছিলেন না। সন্ধ্যার পর কোনো নারীকেই তখন ঘরের বাইরে দেখা যেত না। সন্ধ্যার পর খাল-বিলের ধারেকাছে কেউ যেতেন না। পুলিশের টহলও বাড়ানো হয়। কিন্তু ২০০৯ সালের মধ্যে সেখানে পাওয়া যায় আরও পাঁচ নারীর লাশ। ভৌতিক পরিস্থিতি সর্বত্র। সর্বশেষ যে নারীর লাশ পাওয়া যায়, শুধু তার পরিচয় মেলে। ওই নারীর নাম পারভীন। বাসা টঙ্গীতে।

২০০৯ সালে ফরিদগঞ্জ থানায় চাকরি করতেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘ওই বছর ২১ জুলাই চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার কড়ইতলী গ্রামে একটি খালপাড় থেকে পারভীন নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদনে দেখা যায়, ওই নারীকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে। তার শরীর ও যৌনাঙ্গে ছিল সিগারেটের ছেঁকা। মুখের ভিতরে শাড়ির অংশ গোঁজা ছিল। ’

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রথম দিকে হত্যাকাণ্ডটি ছিল সূত্রবিহীন। পুলিশ কোনোভাবেই বুঝতে পারছিল না কারা, কী উদ্দেশ্যে ওই নারীকে খুন করেছে। কিন্তু পুলিশের সূত্র মিলে যায় একটি মোবাইল ফোন-কল থেকে। ওই ঘটনার পরদিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মোবাইলে ফোন আসে। এক ব্যক্তি নিজেকে রিকশাচালক পরিচয় দিয়ে জানান, যে নারীর লাশ পাওয়া গেছে তাকে আগের দিন বাসস্ট্যান্ড থেকে বহন করে এনেছিলেন।

গ্রামের দুই যুবকের নাম জানিয়ে বলেন, এরা ওই মহিলার সঙ্গে ছিল। পুলিশ ওই দুই যুবককে আটক করে। কিন্তু তাদের কাছে কোনো তথ্য পায় না পুলিশ। মাসখানেক পর তারা জামিনে মুক্ত। ’ হঠাৎ পুলিশের এই কর্মকর্তার মনে পড়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে আসা সেই ফোন-কলটির কথা। কিন্তু ফোনটি ছিল বন্ধ। পুলিশ হতাশ। ফোনটি খোলা থাকলেই খোঁজ নেওয়ার জন্য একজন পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এক মাস পর ফোনটি খোলা পাওয়া যায়। পুলিশ জানতে পারে ফোনটি ব্যবহার হচ্ছে টঙ্গীতে।

ওই ফোন নম্বরে কল করে পুলিশ জানতে পারে, ফোনটি গাজীপুর বাজারের আখ এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কেনা হয়েছে। পুলিশ আখ ব্যবসায়ী তাজুকে আটক করলে তিনি জানান, ২ আগস্ট রসু খাঁ ও মিজান নামের দুই ব্যক্তি তাদের মসজিদ থেকে ফ্যান চুরি করতে গেলে তিনি ও নৈশপ্রহরী মিলে দুজনকে হাতেনাতে আটক করেন। তখন তিনি রসু খাঁর কাছ থেকে সিমটি কেড়ে নিয়েছিলেন। পরে তিনি সেটি ১০০ টাকায় বিক্রি করে দেন। পুলিশ দিনক্ষণ হিসাব করে নিশ্চিত হয়, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রথম ফোনটি করেছিলেন রসু নিজে। তাজুর দেওয়া সূত্র অনুযায়ী টঙ্গীর মিরাশপাড়া থেকে ৭ অক্টোবর রাতে পুলিশ রসুকে গ্রেফতার করে। প্রথম দিকে রসু কোনো কিছু স্বীকার করেননি। এরপর জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করলে রসু খাঁ পুলিশকে গালমন্দ করতে থাকেন। পুলিশ জেরা অব্যাহত রাখলে একপর্যায়ে তিনি পারভীন নামের নারীকে খুনের কথা স্বীকার করেন। পুলিশের তখন সন্দেহ হয়। পারভীন খুনের সঙ্গে তো আগের খুনগুলোর হুবহু মিল রয়েছে। তবে কি এই লোক জড়িত? পুলিশের এমন ভাবনায় সুফল পাওয়া যায়। জেরার মুখে রসু একে একে চাঁদপুরে ১১টি খুনের কথা স্বীকার করেন। এরপর আদালতে নেওয়া হলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন।

এর পরের গল্প মানুষরূপী এক অমানুষের : রসু পুলিশি জেরায় বলেছেন, বিয়ের আগে তিনি একটি মেয়েকে ভালোবাসতেন। কিন্তু তার ভাইয়েরা মেরে তার হাত ভেঙে দেন। এর পরই তিনি খুনের পরিকল্পনা করেন। একে একে খুন করতে থাকেন। তিনি পুলিশকে জানান, ‘আমি আমার অপমানের প্রতিশোধ নিতে খুন করি। ১০১ খুনের পর আর খুন করতাম না। আমি সন্ন্যাসী হতাম। মাজারে মাজারে ঘুরতাম। ’

পুলিশ তার কাছ থেকে জানতে পারে, নানা কৌশলে মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তাদের নিয়ে অভিসারে যাওয়ার কথা বলে একের পর এক হত্যা করতেন রসু খাঁ। শুধু খুনেই এই নরপিশাচের প্রতিহিংসার সমাপ্তি ঘটেনি, খুনের আগে ওই নারীদের ধর্ষণও করেন তিনি। রসু খাঁ প্রতিটি ঘটনাই ঘটিয়েছেন খাল, বিল বা নদীর ধারে। প্রথমে তিনি ধর্ষণ করতেন। এরপর সারা শরীরে সিগারেটের ছেঁকা দিতেন। মুখে কাপড় গুঁজে গলা টিপে ধরেন। এরপর পানিতে মাথা ঠেসে ধরে রাখেন। যতক্ষণ নারীটির দেহ থেকে প্রাণ বেরিয়ে না যায় ততক্ষণ রসু পানির নিচেই মাথা ঠেসে ধরে রাখতেন। এসব বর্ণনা তিনি নিজেই দিয়েছেন পুলিশের কাছে।

চাঁদপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমিরুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় নরপিশাচ রসু জবানবন্দি দেন। এতে ফরিদগঞ্জে সংঘটিত সব খুনের বর্ণনা দেন তিনি। সর্বশেষ ২০০৯ সালের ২০ জুলাই ফরিদগঞ্জের হাসা গ্রামের একটি খালপাড়ে রসু ও তার ভাগ্নে জহিরুল মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে খুন করেন পারভীন নামের এক নারীকে। এর আগে ২০০৭ সালে ফরিদগঞ্জের ভাটিয়ালপুরে শাহিদা নামে আরেক নারীকে ধর্ষণের পর খুন করেন রসু। একই বছর ফরিদগঞ্জের প্রত্যাশী এলাকায় বন্ধু মানিকের প্রেমিকা আঙ্গুর বেগম বন্ধুর সঙ্গে প্রতারণা করায় ফরিদগঞ্জে এনে তাকে খুন করেন রসু।

২০০৯ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি টঙ্গীতে ভাড়া থাকার সময় পাশের ভাড়াটিয়ার ছোট ভাই শাহিনের সঙ্গে এক মেয়ে প্রতারণা করায় তাকেও ফরিদগঞ্জের হাসা গ্রামে নিয়ে ধর্ষণের পর পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করেন রসু। ২০০৭ সালে ওই গ্রামের হোসনে আরা নামে একজন এবং একই বছর বালিথুবায় বিআর খালে পলাশ নামে আরেক নারীকে নির্যাতনের পর হত্যা করেন রসু। ২০০৮ সালের ১৮ ডিসেম্বরে ফরিদগঞ্জের নানুপুর খালপাড়ে নিয়ে ধর্ষণ শেষে খুন করেন ফরিদপুুরের শাহিদাকে। ওই বছর ২৩ ডিসেম্বর দক্ষিণ বালিয়া গ্রামে এনে খুন করেন কুমিল্লার কোহিনূরকে। ২০০৯ সালের ১৩ মার্চ উপজেলার দুর্গাদি গ্রামে এনে খুন করা হয় রংপুরের মেয়ে মেহেদীকে। রসুর হাতে খুন হওয়া নারীদের লাশগুলো উদ্ধারের পর পুলিশ অজ্ঞাত বলে চিহ্নিত করলেও প্রতিটি ক্ষেত্রে মামলা হয়। এর মধ্যে ফরিদগঞ্জ থানায় ৬টি, চাঁদপুর সদর থানায় ৪টি ও হাইমচর থানায় ১টি।

দুই বোনকে বিয়ে : পুলিশ জানায়, রসু বিকৃত যৌনাচারে অভ্যস্ত ছিলেন। তিনি সব মেয়েকে একই কায়দায় যৌন নির্যাতন করতেন। তিনি স্ত্রীর আপন ছোট বোনকে বিয়ে করেন। তার প্রথম স্ত্রী মণির এক চোখ অন্ধ ছিল। এরপর তিনি স্ত্রীর ছোট বোন রীনা বেগমকে বিয়ে করেন। কিন্তু প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তার আর ছাড়াছাড়ি হয়নি। তবে রীনা পুলিশকে জানান, চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ার সময় রসু রাস্তা থেকে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যান। এ নিয়ে গ্রামে শালিসিও হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, দুনিয়ার কুখ্যাত সব সিরিয়াল কিলারের হত্যার প্রকৃতি বিশ্লেষণ করলে বিশেষ ধরনের বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়। চাঁদপুরের সিরিয়াল কিলার রসু খাঁও এর ব্যতিক্রম নন। তিনি খুন করেছেন নারীদের। সেই নারীরা সবাই হতদরিদ্র পরিবারের। এদের একজন ছাড়া সবাইকে তিনি খুনের আগে ধর্ষণ করেছেন। সবাইকে খুন করেছেন রাতের বেলায়। সবাইকে খালের কিনারে নিয়ে খুন করেছেন এবং সবার লাশও ফেলে রেখেছিলেন খালের পাশেই। কোনো খুনের ঘটনার সঙ্গে রসু খাঁ তাকে শনাক্ত করার মতো কোনো চিহ্ন রেখে যাননি।

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, তবে চাঁদপুর থানা পুলিশের কাছে একটি মাত্র ফোন-কলই রসু খাঁর ১০১ নারীকে খুন করার পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। ধরা না পড়লে হয়তো তিনি এভাবেই একের পর এক খুনের ঘটনা ঘটিয়েই যেতেন। রসুর বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের মদনা গ্রামে। নরপিশাচ রসু জেলখানায় বন্দী। বীভৎস সেসব খুনের ঘটনায় তিনি এখন বিচারের মুখোমুখি। চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ অরুণাভ চক্রবর্তী একটি হত্যা মামলায় এই সিরিয়াল কিলারের ফাঁসির রায় দিয়েছেন।

বাচ্চার গায়ের রং ফর্সা করতে গর্ভাবস্থায় খান ৭ খাবার

আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষই চান তার অনাগত সন্তানের গায়ের রঙ যেন উজ্জ্বল হয়।  এজন্য পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের পাশাপাশি নিজের জীবনাচরণের ইতিবাচক পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে খাদ্য নির্বাচনের উপর সন্তানের শরীরের বর্ণ কেমন হবে তা নির্ভর করে না, এটা নির্ভর করে তার বাবা-মা এর কাছ থেকে যে জিন পেয়েছে তার উপর।

শুধুমাত্র ত্বকের সৌন্দর্যই কোন মানুষের একান্ত আকাঙ্ক্ষিত বিষয় হতে পারে না। তাই গর্ভবতী মায়েদের উচিত একটি সুস্থ্, মেধাবী ও স্বাভাবিক শিশুর জন্মের জন্য চেষ্টা করা।

গর্ভবতী মহিলাদের স্বভাবতই খুব বেশি ক্ষুধা পায় এবং সেই সময়ে ঠিক মত খাওয়া দাওয়া করাটা আসলে তাদের জন্য খুব জরুরী। কেননা এই খাবার মায়ের সাথে সাথে শিশুর জন্যও অনেক বেশি দরকারী।

অ্যালকোহল গ্রহণের অভ্যাস থাকলে বর্জন করা উচিত। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন, খুব বেশি ওজন হলে প্রি ম্যাচিউর বেবির জন্ম হয় যা বাচ্চার আইকিউ এর উপর প্রভাব ফেলে।

নিয়মিত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন। এতে বাচ্চার ব্রেইন এর গঠন ও অন্যান্য অঙ্গের গঠনে সহায়তা করে। বিজ্ঞানীদের মতে গর্ভের শিশু শুনতে পায় এবং সেই অনুযায়ী সাড়া দেয়।

গর্ভের শিশুর সাথে কথাবলুন, গান করুন এবং ধর্মীয় বই ও বিখ্যাত মনীষীদের জীবনী পড়ুন। কিছু গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, গর্ভে থাকতে শিশু যে কণ্ঠস্বর শুনেছে জন্মের পর সেই কণ্ঠস্বর শুনলে শিশু শান্ত হয়।

আসুন জেনে নেই গর্ভবতী অবস্থায় যে খাবার গুলো খেলে বাচ্চার বর্ণ ফর্সা হতে পারে তার তালিকা –

(১) জাফরান দুধ:

অনেক মহিলা গর্ভবতী অবস্থায় জাফরান দেয়া দুধ পান করে থাকেন। মনে করা হয় জাফরান গর্ভের শিশুর গায়ের রঙ ফর্সা করে।

(২) নারিকেল:

প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী নারিকেলের সাদা শাঁস গর্ভের শিশুর বর্ণ ফর্সা করে। তবে গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত নারিকেল খাওয়া মোটেই স্বাস্থ্য সম্মত নয়। খেতে পারেন, তবে পরিমিত।

(৩) দুধ:

গর্ভবতী মহিলাদের দুধ পান করা অত্যাবশ্যকীয়। দুধ শিশুর শরীর গঠনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। প্রচলিত ধারণা মোটে দুধও ত্বকের রঙ ফর্সা করতে সহায়ক।

(৪) ডিম:

প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী বিশ্বাস করা হয় যে, যদি ফর্সা বাচ্চা চান তাহলে গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় তিনমাসে ডিমের সাদা অংশ গ্রহণ করা উচিৎ।

তবে সত্য এই যে গর্ভাবস্থায় নিয়মিত ডিম খাওয়া মায়ের জন্য খুব জরুরী। ডিমের অধিকাংশ পুষ্টি গুণ এর ক্সুমের মাঝেই থাকে। তাই কুসুম খাওয়া বাদ দেয়া চলবে না।

(৫) চেরি ও বেরি জাতীয় ফল:

চেরি ও বেরি জাতীয় ফলে উচ্চমাত্রার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে এবং ত্বকের ক্ষতি রোধ করে। তাই স্ট্রবেরি, ব্ল্যাক বেরি, ব্লু বেরি ইত্যাদি ফল খাওয়া হয় সুন্দর ত্বকের জন্য।

(৬) টমেটো:

টমেটোতে লাইকোপেন থাকে যা ক্ষতিকর আল্ট্রা ভায়োলেট রে এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে সূর্যের আলোর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে। বিশ্বাস করা হয় যে, গর্ভাবস্থায় টমেটো খেলে বাচ্চার বর্ণ ফর্সা হয়।

(৭) কমলা:

কমলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ তাই শিশুর শরীর গঠনের জন্য অপরিহার্য। গর্ভাবস্থায় কমলা খেলে শিশুর ত্বক ভালো হবে।